• বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
Headline
মদন উপজেলা বাসীকে ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইউএনও নাদির হোসেন শামীম কুড়িগ্রামের চরে ঈদের আনন্দ ম্লান, অনেক পরিবারে মিলবে না এক কেজি মাংসও মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেশবাসীকে মোঃ রাকিবুল ইসলাম মিঠু শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন কুড়িগ্রাম শহরের বইঘরের সামনে বৈদ্যুতিক খুঁটির তারে আগুন: নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কক্সবাজারে আদালত প্রাঙ্গনে গুলির ঘটনায় পৃথক দুই মামলা, আসামী ১৩ জন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তানোর বাসীদের এম,এ,মালেক মন্ডলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং ঈদ মোবারক শেরপুরে অর্ধশত পরিবারের মাঝে সেবার আলো সংগঠনের ঈদ উপহার বিতরণ কুড়িগ্রামে বাজেট নিয়ে নাগরিক সংলাপ: সম্ভাবনা ও উন্নয়নে বাড়তি বরাদ্দের দাবি ​হলুদিয়ায় অন্য অপরাধ ঢাকতে যুবককে পিটিয়ে চমেক হাসপাতালে পাঠালো পরকীয়া হাতেনাতে ধরা খাওয়া সেই আজাদ এর সন্ত্রাসীরা

ঝিনাইদহে মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে জমির ন্যায্য মূল্যের দাবিতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি

মোঃ ফজলুল কবির গামা / ৩৫ Time View
Update : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬

মোঃ ফজলুল কবির গামা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত জমি ও স্থাপনার সঠিক ও ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক নোমান হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে তারা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন। স্মারকলিপি গ্রহণ শেষে জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, আশিকুল আলম, আব্দুল মালেক, আব্দুল গণি, নাজিম উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, শরিফুল ইসলাম শরিফ, মামুনুর রহমান রনি, বদরুজ্জামান বদু, ফরিদুল ইসলাম, সৈয়দ মুয়াম্মার আল গাদ্দাফী, মোফাজ্জল হোসেন, সোহরাব হোসেন, মুক্তার হোসেন, ওহিদুল ইসলাম ও শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ভুক্তভোগী জমির মালিকদের অভিযোগ, সরকারি এই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তাদের যে ব্যবসায়িক ও আবাসিক জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে, তার জন্য নির্ধারিত দাম বর্তমান বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় জমির বর্তমান বাজারমূল্য কাঠাপ্রতি কোটি টাকারও বেশি, অথচ সরকার নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ সেই তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। ফলে তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

আন্দোলনরত জমির মালিকরা গণমাধ্যমকে জানান, তারা সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বাধা দিতে চান না এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে তাদের একমাত্র দাবি হলো, বসতভিটা ও আয়ের উৎস হারানো পরিবারগুলোর জন্য জমি ও স্থাপনার ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করা। তারা বর্তমানে নির্ধারিত মূল্য সংশোধন করে বাজার দরের সাথে সংগতি রেখে পুনঃনির্ধারণের জোর দাবি জানান।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন ক্ষতিগ্রস্তদের অভাব-অভিযোগ ধৈর্যসহকারে শোনেন। তিনি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, অধিগ্রহণকৃত জমির দাম ও স্থাপনার মূল্য নিয়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে পুনঃতদন্ত করা হবে এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা